শিশুদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন : ডিসি

চট্টগ্রাম শিশু একাডেমিতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের উদ্বোধন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেছেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে শিশুরা প্রায় পৌণে দুই বছর আনন্দ-বিনোদন থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ দুই শতাংশের নীচে নেমে এসেছে। আমরা সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এদেশ থেকে করোনা চিরতরে চলে যাবে। আগামীতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিশুদেরকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। শিশু অধিকার যাতে লংঘিত না হয় সে বিষয়ে সকল অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদেরকে আরো সচেতন হতে হবে। আমরা প্রত্যেক শিশুর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে শিশুদের বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শিশু একাডেমি আয়োজিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-“শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি, সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ি”।


ডিসি বলেন, শিশু সুরক্ষায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থা ও সংগঠনগুলো এগিয়ে আসলে শিশু নির্যাতন বন্ধসহ শিশুশ্রম আইন ও শিশু নীতি বাস্তবায়ন হবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে শিশুরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। তবে শিশুর নেতৃত্ব বিকাশে এখন থেকে স্কুল পর্যায়ে উদ্যোগ নিতে হবে।


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মু.মাহমুদ উল্লাহ মারুফের সভাপতিত্বে ও শিশু একাডেমির আবৃত্তি প্রশিক্ষক এডভোকেট মিলি চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখবেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আবছার ভূঁঞা।

বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম শিশু একাডেমির প্রশিক্ষণার্থী নুসরাত জাহান প্রীতি ও শিশু বিকাশ কেন্দ্রের শিক্ষার্থী মোঃ রাব্বি মিয়া। শিশু বিকাশ কেন্দ্রের নিবাসী মোঃ মঈনুদ্দিন তানভীর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও শিশু একাডেমির প্রশিক্ষণার্থী অপ্সরা রায় পবিত্র গীতা পাঠ করেন। আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিশু একাডেমির বিভিন্ন বিভাগের প্রশিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।