

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাংস্কৃতিক সংগঠন “বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী” নামে নতুন একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) নিজেদের আত্মপ্রকাশ করে সাংস্কৃতিক সংগঠনটি।
উক্ত আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত নাট্যজন, নাট্যব্যক্তিত্ব ও সংগঠক আহমেদ ইকবাল হায়দার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ও সঙ্গীতজ্ঞ আবদুর রহিম, উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক ও লেখক-গবেষক, মীর আবু সালেহ শামসুদ্দিন শিশির।
সাথে উপস্থিত ছিলেন বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠীর উপদেষ্টা আলা উদ্দিন তাহের (বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী, বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন),সমীর শীল
(সংগীত শিল্পী, শিক্ষক ও উপদেষ্টা “বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী “), আ.ন.ম মাঈন উদ্দিন(শিক্ষক ও উপদেষ্টা বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী )।
অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সভাপতিত্ব করেন বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠীর প্রধান সমন্বয়ক মাসউদ আহমেদ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রধান সহ সমন্বয়ক শমসের নেওয়াজ মুক্তা।
”প্রতিভাবানদের স্বপ্নপূরণে সংস্কৃতির লালন, চর্চা,উন্মেষ, প্রসার,আধুনিকায়ন ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন” লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আহমেদ ইকবাল হায়দার বলেন- “শহরকেন্দ্রিক হয়ে যাওয়ার চিন্তাধারার এই সময়ে এসে কুতুবদিয়ার মতো একটি দ্বীপে সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলার এই প্রয়াসকে আমি সাধুবাদ জানাই। এতে করে নতুন প্রজন্ম নিজস্ব সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারায় বেড়ে উঠবে।”
বিশেষ অতিথি আবদু রহিম বলেন- “শিল্প-সাহিত্যের সুস্থ ধারার সাথে এগিয়ে গিয়ে কুতুবদিয়ার ” বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী” যেনো দ্বীপকে একটি সুস্থ প্রজন্ম উপহার দিতে পারে এবং পরবর্তীতে অফলাইনে বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিজেদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে পারে এই উদ্দেশ্যে কাজ করে যেতে হবে।” সম্মানিত বিশেষ অতিথি শামসুদ্দিন শিশির তাঁর বক্তব্যে- বাংলাদেশের যুবসমাজ যখন বিপথগামী হচ্ছে, অবসরে যখন অনলাইনের বিভিন্ন এপসের প্রতি আসক্তি এবং অসুস্থতার দেখা দিচ্ছে তখন এই দুঃসময়ে তরুনদের শিল্প-সাহিত্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার এই সংগঠন তৈরি করার মতো একটি সিদ্ধান্তকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম উপদেষ্টা আ.ন.ম.মাঈন উদ্দীন বলেন-“সংগঠনটি তার নামের মতোই যেন কাজে-কর্মে উজ্জ্বল হয় এবং কুতুবদিয়া দ্বীপকে আলোকিত করতে পারে- এই লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করে যেতে হবে।”
বঙ্গোপসাগরের বুকে প্রকৃতির মায়ায় গড়ে উঠা এই দ্বীপ শিক্ষা, অর্থনীতি ও আধুনিক জীবনযাত্রায় এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি যেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও এগিয়ে যায়,লুকায়িত মেধা দিয়ে যেন সারা দেশে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখতে পারে, এই প্রয়াসেই বাতিঘর শিল্পীগোষ্ঠী বদ্ধপরিকর।